Showing posts with label ক্ষুদ্র ইন্সপিরেশন. Show all posts
Showing posts with label ক্ষুদ্র ইন্সপিরেশন. Show all posts

Sunday, February 5, 2017

একটি কৌতুহলময় স্মৃতিপট

২০০৩ সাল।তখন আমি ক্লাস থ্রি তে পড়ি,এরোপ্লেন সম্পর্কে বইয়ে অনেক পড়েছি এমনকি ওটার যন্ত্রাংশের নাম সমূহসহ।কিন্তু তখন পর্যন্ত বাস্তবে এরোপ্লেন দেখা শুধুমাত্র আকাশ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল।ভূমিবিষ্ট এরোপ্লেন দেখার সৌভাগ্য হয়নি।

সেবার ছিল জানুয়ারির প্রথম দিক,আমার বড় কাকু আমেরিকা(ইউএসএ) ফেরত হবে।বাবা কথা দিয়েছিল যদি আমি ক্লাসে ফার্স্ট হতে পারি তবে আমার বাবার সাথে কাকুকে রিসিভ করার জন্য বিমান বন্দরে যাওয়ার সুযোগ হবে।এইদিকে আমার রেজাল্ট পাব্লিশ হল, ফার্স্ট হতে না পারলেও সেকেন্ড হয়েছিলাম।যাইহোক বাবা নিজের কথা রাখলেন মানে, প্রথম বারের মত আমি এয়ারপোর্ট এ যাচ্ছি।আমি তো মহাখুশি এতদিন শুধুই বিমানকে আকাশপথে দেখে অবাক হতাম এখন একেবারে বন্দরে বিমান এর ল্যান্ডিং সরাসরি দেখতে পাব।সবকিছু মিলিয়ে আমার কৌতূহল আর উদ্দীপনা একেবারেই তুঙ্গে।এইদিকে বছরের প্রথম দিক হওয়ায় লেখাপড়ার কোন রকম চাপ ছিল না পুরোপুরিভাবে বলা যায় খোশ মেজাজে।

সব কিছু মিলিয়ে আমাকে আর পায় কে অবস্থা।
অবশেষে আজ ১৭ই জানুয়ারি ২০০৩ মানে আমার জন্য সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। সকাল ৯ টার ভিতর ই আমরা শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উপস্থিত হয়ে গেলাম।বন্দরে এসে আমার কৌতুহল এর কমতি ছিল না,আমি চারদিক ঘুরে ঘুরে অনেক কিছুই দেখেছি।রাডার,কিছু অপেক্ষমাণ হেলিকাপ্টার, ছোট বিমান, সব কিছু মিলিয়ে আমার জন্য ছিল সেটা অপূর্ব মূহুর্ত। টিকিট কেটে আমরা সবাই একেবারে ল্যান্ডিং ফিল্ড এ উপস্থিত হয়ে গেছি।(তখন টিকিট কেটে ওখান পর্যন্ত যাওয়া বৈধ ছিল)
৯:৩০ কি তার একটু পরেই আমি প্রচণ্ড শব্দ শুনে অবাক হলাম আর ভাবতে লাগলাম ভাগ্যিস এইগুলো আমাদের থেকে অনেক অনেক উঁচুতে উড়ে তা না হলে দুর্বিষহ অবস্থা হত।এসব ভাবতে ভাবতে বিমান রানওয়েতে চলে আসল,ওই মূহুর্তে তখনও আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে আমি আসলেই বিজ্ঞানের অনেক কাছেই,প্রযুক্তি আমার চোখের সামনেই।

সবশেষে আরো কিছু মনে রাখার মূহুর্ত ব্যায় করার পর আমরা নিজ গন্তব্যে ফিরে আসি।ভাবতেই অবাক লাগে যেটা ছোট বেলার কৌতুহল ছিল এখন আমি, আমরা সেটা নিয়েই বিশ্লেষণ করে যাই প্রতিনিয়ত।

***ছোট বেলার কৌতুহলী জীবনথেকে সব কিছু নেওয়ার চেষ্টা করলেও সব উঠিয়ে আনা সম্ভব হয় নি।মেধা বিকশিত হয় আবার লোপ ও পায়।***

একটা স্বপ্ন দেখব বলে স্পন্সর খুঁজি রোজ....

স্বপ্ন আর বাস্তবতা আপাতপক্ষেই সম্ভব বাস্তবিকতায় খুব একটা মিল নেই।
তবুও আমাকে আপনাকে স্বপ্ন দেখতে নিষেধ করে কে! কেউ না।

সবাই স্বপ্ন দেখে আমিও দেখি কিন্তু স্বপ্নগুলো কেমন যেন গোলমেলে। মানে ঠিক কি নিয়ে স্বপ্ন দেখা হচ্ছে সেটাই বুঝি না,দেখার মাঝখানেই ঠং!
টপিক নির্ধারণ এর আগেই টপিক পাল্টানোর কথা এসে যায়।আহা! রঙিনত্ব আনা দরকার। কিন্তু সেই রঙিনত্ব আনার আগে আমাকে
যদি কেউ সাহায্য করতে পারত তবে তাকে বোধহয় মাথায় তুলে রাখতাম।

না ঠিক তা নাহ্! তবে কি? রঙিন স্বপ্ন ছাড়া কি জীবনে ঘুমের ঘোরে আর কিছু দেখার নেই?আছে, হ্যাঁ অবশ্যই।তবে সেটা ঘুমের ঘোরে হোক আর দিবা স্বপ্নই হোক অথবা বাস্তবতায়।
চলুন না আজ থেকেই স্বপ্ন দেখা শুরু করি না রঙিন দেখতে হবে না।জীবনকে উচ্ছাসিত করার স্বপ্ন, এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন,লক্ষ্য পূরণের স্বপ্ন।
তবে জয় হোক আরেকবার স্বপ্নের।
"জয়তুঃ স্বপ্ন"
"জয়তুঃ মানবজীবন

Wednesday, August 17, 2016

"সফলতা"

সফলতা বা SuccesS

সফলতা বা Success, যা সবাই অর্জন করে নিতে পারে না।এর পিছনে অনেক কারণ আছে কেউ পারে না নিজের অনীহার কারণে,কেউ পারে না তার নিজের আত্মবিশ্বাস এর অভাব এর কারণে আবার কেউ পারে না নিজের ডিপ্রেশন বা হতাশার কারণে।

তো যেটা না বললেই নয়, সেটা হচ্ছে সফল কেউ আপনা আপনি হয় না।তারজন্য প্রয়োজন হয় নিজের সর্বোচ্চ ইচ্ছাশক্তি,মনোবল, একননিষ্ঠতা,একাগ্রতা সব শেষে যেটা বেশী প্রয়োজন সেটা হলো অধ্যবসায়।আরো একটা জিনিষ প্রয়োজন সেটা হল অন্যকে(যারা জীবনযুদ্ধে সফলল) অনুসরণ করা কিন্তু তাকে অনুকরণ করে নয়।মনে রাখবেন, "সূর্যকে প্রণাম নয় তার আলো গায়ে মাখতে হবে"।  মানব জীবনের সার্থকতা সেখানেই, যেখানে আপনি আপনার নিজের অবস্থানে সফল।সফল হতে নিজের ইচ্ছাশক্তির চেয়ে বেশী কোন কিছুই প্রভাবক হিসেবে কাজ করে না।আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন এই মহামানব জীবনে কেউ মুহূর্তে সফল হতে পারে নি।বরংবার চেষ্ঠার ফলই ওই ব্যাক্তিকে একটা নির্দিষ্ট সফল ফ্রেমে বন্ধী করেছে।নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে যান সফলতা অবধারিত।

সফলতা সম্পর্কে আর্ল নাইটিংগেল বলেছিলেন- "একটি যথার্থ উদ্দেশ্য
উত্তেরাত্তর উপলব্ধির নামই সফলতা"।
                          উৎসর্গীকরণে-
                                 "আনন্দ মোহন"